MEDIXOBD.COM

Tetrabenazine

নির্দেশনা

টেট্রাবেনাজিন করীয়া অ্যাসোসিয়েটেড হান্টিংটন ডিজিজের চিকিৎসায় নির্দেশিত।

Composition

ফার্মাকোলজি

টেট্রাবেনাজিন পূর্বে এন্টি-সাইকোটিক ঔষধ হিসেবে ব্যবহৃত হলেও বর্তমানে এটি প্রাথমিকভাবে বিভিন্ন রকম হাইপারকাইনেটিক ডিসর্ডারের লক্ষণসমূহের চিকিৎসারূপে ব্যবহৃত হয়। এটি হলো ভেসিকুলার মনোঅ্যামাইন ট্রান্সপোর্টার ২ (VMAT-2) এর বাধাদানকারী উপাদান যা করীয়া অ্যাসোসিয়েটেড হান্টিংটন ডিজিজের লক্ষণগত চিকিৎসারূপে ব্যবহৃত হয়।

মাত্রা ও সেবনবিধি

সেবনমাত্রা : খাবারের সাথে অথবা খালি পেটে সেবন যোগ্য। সাপ্তাহিক ক্রমবর্ধমান মাত্রায় স্বতন্ত্র ডোজ / ঔষধ মাত্রা নির্ধারণ করা উচিত। প্রথম সপ্তাহের প্রারম্ভিক মাত্রা: ১২.৫ মি.গ্রা. দৈনিক এক বার; ২য় সপ্তাহে: দৈনিক ২৫ মি.গ্রা. (১২.৫ মি.গ্রা. দৈনিক দুই বার); এভাবে প্রতি সপ্তাহ ব্যবধানে ধীরে ধীরে ১২.৫ মি.গ্রা. করে সহনীয় হারে ডোজ বৃদ্ধি করা উচিত যা করীয়া কমাতে সহায়তা করে। দৈনিক ৩৭.৫ মি.গ্রা. থেকে ৫০ মি. গ্রা. নির্ধারিত মাত্রা তিনটি পৃথক ডোজে প্রয়োগ করতে হবে। প্রতিটি একক ডোজ ২৫ মি.গ্রা. এর বেশী হওয়া যাবে না। যে সকল রোগীর দিনে ৫০ মি.গ্রা. এর অধিক মাত্রায় ডোজ প্রয়োজন তাদের ঔষধ বিপাকীয় এনজাইম CYP2D6 এর জিনোটাইপ পর্যালোচনার মাধ্যমে তারা অধিক মাত্রায় বিপাকে সক্ষম কিনা অথবা পর্যাপ্ত পরিমাণে বিপাকে অক্ষম কিনা তা নির্ধারণ করে নিতে হবে। পর্যাপ্ত পরিমাণে বিপাকে অক্ষম রোগীর সর্বোচ্চ দৈনিক ৫০ মি.গ্রা. (সর্বোচ্চ একক ডোজ ২৫ মি.গ্রা.) অধিক ও মাঝারি মাত্রায় বিপাকে সক্ষম রোগীর সর্বোচ্চ ডোজ দৈনিক ১০০ মি.গ্রা. (সর্বোচ্চ একক ডোজ ৩৭.৫ মি.গ্রা.) তীব্র বিরূপ প্রতিক্রিয়ার ক্ষেত্রে ঔষধের ক্রমবর্ধমান মাত্রা বন্ধ করে কম মাত্রা প্রয়োগ করা উচিত। যদি বিরূপ প্রতিক্রিয়া না কমে, তাহলে ঔষধ প্রত্যাহার করার বিবেচনা করা যেতে পারে। শিশু, কিশোর ও বয়ঃসন্ধিকালীন ব্যবহার : শিশুদের ক্ষেত্রে টেট্রাবেনাজিন এর নিরাপত্তা ও কার্যকারিতা প্রতিষ্ঠিত করা হয়নি। বৃদ্ধদের ক্ষেত্রে : টেট্রাবেনাজিন এর প্রাথমিক মেটাবোলাইটের ফার্মাকোকাইনেটিক্স নিয়ে এখন পর্যাপ্ত কোনো গবেষণা করা হয়নি।

প্রতিনির্দেশনা

টেট্রাবেনাজিন নিম্নোক্ত ক্ষেত্রে প্রতিনির্দেশিত: যারা বিষণ্নতায় ভুগছে বা এর পর্যাপ্ত চিকিৎসা নেয়নি অথবা যাঁরা আত্মহত্যা প্রবণ যাদের যকৃত-বৈকল্যতা রয়েছে যাদের মনোঅ্যামাইন অক্সিডেজ ইনহেবিটর বা রেজারপিন দিয়ে চিকিৎসা হচ্ছে যাদের ডিউটেট্রাবেনাজিন অথবা ভ্যালবেনাজিন দিয়ে চিকিৎসা হচ্ছে

পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া

সাধারণ : অধিক পরিলক্ষিত বিরূপ প্রতিক্রিয়ার (>১০% এবং প্লেসবোর তুলনায় অন্তত ৫% বেশী) মধ্যে রয়েছে- ঘুম ঘুম ভাব, অবসাদ, বিষণ্ণতা, অ্যাকথিসিয়া, দুশ্চিন্তা এবং বমি বমি ভাব। বিরল : আত্মহত্যার চিন্তা, নিউরোলেপটিক ম্যালিগন্যান্ট সিন্ড্রোম, জ্বর, পেশীর দৃঢ়তা এবং বিভ্রান্তি এবং নিউমোনিয়া।

গর্ভাবস্থায় ও স্তন্যদানকালে

টেট্রাবেনাজিন ব্যবহারকারী গর্ভবর্তী মহিলাদের ক্ষেত্রে ঝুঁকি বৃদ্ধি সম্পর্কিত পর্যাপ্ত তথ্যাদি নেই। মাতৃদুগ্ধে টেট্রাবেনাজিন অথবা এর কোন মেটাবোলাইটের উপস্থিতি সম্পর্কিত কোন তথ্য পাওয়া যায়নি।

সতর্কতা

ঔষধের সুবিধা এবং সম্ভাব্য বিরূপ প্রতিক্রিয়া যেমন: খারাপ মেজাজ, দিক নির্দেশহীনতা, দৃঢ়তা এবং কার্যকরী ক্ষমতা পর্যায়ক্রমে পুর্নমূল্যায়ন করা উচিত। সর্বোচ্চ দৈনিক মাত্রা ৫০ মি.গ্রা. এর বেশী হওয়া উচিত নয় এবং যদি টেট্রাবেনাজিন শক্তিশালী CYP2D6 বাধাদানকারী উপাদানের (যেমন: ফ্লুওক্সেটিন, পেরোক্সেটিন) সাথে প্রয়োগ করা হয় তাহলে সর্বোচ্চ একক মাত্রা ২৫ মি.গ্রা. এর বেশী হওয়া উচিত নয়। নিউরোলেপ্টিক ম্যালিগনেন্ট সিনড্রোমের ক্ষেত্রে ট্রিটমেন্ট বন্ধ করে দেওয়া উচিত। যদি রোগীরা অস্থিরতা, উৎকণ্ঠা, অ্যাকাথিসিয়া অথবা পারকিনসনিজমে ভোগে তাহলে ঔষধের ডোজ কমাতে হবে কিংবা সম্পূর্ণ বন্ধ করে দিতে হবে। যন্ত্রপাতি চালনা করার সক্ষমতাকে হ্রাস করতে পারে যে সকল ঔষধ QT C -কে প্রলম্বিত করে সে সকল ঔষধের সাথে টেট্রাবেনাজিন প্রয়োগ নির্দেশিত নয়।

থেরাপিউটিক ক্লাস

Atypical neuroleptic drugs

সংরক্ষণ