MEDIXOBD.COM

Shatavari, Vidarikand, Ashwagandha & others

নির্দেশনা

ল্যাকটোপ্লাস ব্যবহার করা হয় স্তন্যদানরত মায়েদের দুধ বৃদ্ধিতে সহায়তা এবং দুবের পুষ্টিমান ও ধারাবাহিকতা (consistency) উন্নত করার জন্য।

Composition

  • Shatavari (Asparagus racemosus): 150 mg
  • Vidarikand (Pueraria tuberosa): 250 mg
  • Ashwagandha (Withania somnifera): 100 mg
  • Lasuna (Allium sativum): 50 mg
  • Methi seeds (Trigonella foenum-graecum): 100 mg
  • Jivanti (Leptadenia reticulata): 150 mg
  • Doodhi (Euphorbia hirta): 50 mg

ফার্মাকোলজি

ফার্মাকোলজি : ল্যাকটোগ্রাস ক্যাপসুল-এর অলিগোগাল্যাকটিয়া (দুধ কম হওয়া) প্রতিকারে কাজ করার ধরণ বহুস্তরবিশিষ্ট। এই ক্যাপসুলের উপাদানগুলো প্রোল্যাক্টিন বৃদ্ধিকারক, অক্সিটোসিক (অক্সিটোসিন হরমোনের ক্ষরণে সহায়ক), প্রশান্তিদায়ক, ক্ষুধা উদ্দীপক এবং অন্যান্য কার্যকরী বৈশিষ্ট্যে সমৃদ্ধ। প্রোল্যাক্টিন হলো একটি পিটুইটারি হরমোন, যা স্তন্যদান শুরু ও বজায় রাখার জন্য অত্যাবশ্যক। এটি নির্দিষ্ট রিসেপ্টরের সাথে যুক্ত হয়ে স্তন্যগ্রন্থির ডাই ও অ্যালভিওলার এপিথেলিয়ামের কোষবৃদ্ধি এবং পরবর্তীকালে তার পার্থক্যকরণে সহায়তা করে। এর ফলে দুধের জন্য প্রয়োজনীয় প্রোটিন (ক্যাসেইন) এবং ল্যাকটোজ তৈরির জন্য প্রয়োজনীয় এনজাইম (ল্যাকটোজ সিনথেটেজ) এর সংশ্লেষণ শুরু হয়। এছাড়াও, প্রোল্যাক্টিন শিশুর স্তন চোষার প্রতিক্রিয়ায় স্তন্যদানের প্রক্রিয়া বজায় রাখতে সাহায্য করে। ল্যাকটোপ্লাস ক্যাপসুল-এই সমস্ত কার্যকারিতার মাধ্যমে স্তন্যদানে সহায়ক ভূমিকা রাখে। ইস্ট্রোজেনিক প্রভাব : ইস্ট্রোজেন হরমোন অ্যান্টিরিয়র পিটুইটারি গ্রন্থির ল্যাকটোট্রোপ কোষগুলোর উপর সরাসরি উদ্দীপক প্রভাব প্রয়োগ করে প্রোল্যাক্টিন হরমোনের সংশ্লেষণ ও নিঃসরণকে উৎসাহিত করে। পাশাপাশি এটি পিটুইটারি গ্রন্থিতে ডোপামিনের নিরোধক (inhibitory) প্রভাবকে বাধ্যগ্রস্ত করতেও সক্ষম। এইজন্য, ইস্ট্রোজেনিক উপাদান বা প্রভাবের উপস্থিতি Pueraria tuberosa (বিদারিকন্দ) এর স্তন্যদানের সহায়ক গুণ (galactogenic effect) ব্যাখ্যা করতে সহায়ক হতে পারে, কারণ এতে থাকা ইস্ট্রোজেনিক উপাদানের মধ্যে আইসোফ্ল্যাভোন, ডাইডজেইন ইত্যাদি অন্তর্ভুক্ত। এছাড়াও, Allium sativum (রসুন)-এও ইস্ট্রোজেনিক প্রভাব থাকার কথা বিভিন্ন গবেষণায় উল্লেখ করা হয়েছে। অক্সিটোসিক প্রভাব : অক্সিটোসিন হরমোনটি গর্ভধারণের শেষ পর্যায়ে জরায়ুর মসৃণ পেশির সংকোচন উদ্দীপিত করতে এবং সন্তান প্রসবের পর রক্তপাত নিয়ন্ত্রণে (haemostasis) গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এছাড়াও, এটি স্তনে থাকা মায়োইপিথেলিয়াল কোষ এবং ডাক্টের মসৃণ পেশীতে সংকোচন ঘটিয়ে দুধ নিঃসরণে (milk ejection) সহায়তা করে। Trigonella foenum-graecum (মেথি), একটি পরিচিত স্তন্যদানবর্ধক (galactogogue) উদ্ভিদ, প্রসব প্রক্রিয়ায়ও উপকারী বলে রিপোর্ট করা হয়েছে বিশেষত দীর্ঘ সময় ধরে প্রসব চলা (protracted labour), প্লাসেন্টা নির্গমন (placental expulsion) সহজ করা, এবং প্রসব পরবর্তী রক্তপাত কমাতে। এছাড়া, কঠিন বা জটিল প্রসবের ক্ষেত্রেও এটি সহায়ক হতে পারে। অতএব, এর কার্যপ্রণালীকে অক্সিটোসিক প্রভাব হিসেবে ব্যাখ্যা করা যেতে পারে। মেথি জরায়ুর উপর অক্সিটোসিন-সদৃশ প্রভাব ফেলতে পারে এবং একই ধরনের প্রভাব স্তনের উপরও থাকতে পারে। অর্থাৎ, এর গ্যালাকটোজেনিক (দুধ বৃদ্ধিকারী) প্রভাব আসলে দুধ উৎপাদনের চেয়ে দুধ নিঃসরণের প্রক্রিয়াকে বৃদ্ধি করার মাধ্যমেও হতে পারে। প্রশান্তিদায়ক প্রভাব : মানসিক ও আবেগজনিত কারণ যেমন স্ট্রেস, দুশ্চিন্তা, ভয়, রাগ এবং উদ্বেগ স্তন্যদানের উপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলে, বিশেষ করে দুধ নিঃসরণের প্রতিক্রিয়াকে বাধাগ্রস্ত করে। Withania somnifera (অশ্বগন্ধা)-এর ডোপামিন হ্রাসকারী প্রভাব এবং অ্যান্টি-স্ট্রেস কার্যকারিতার কারণে এটি anxiolytic বা উদ্বেগনাশক হিসেবে পরিচিত। ফলে, অশ্বগন্ধা স্তন্যদানরত মায়েদের উপর প্রশান্তিদায়ক প্রভাব ফেলে, যা দুধ সহজে প্রবাহিত হতে সাহায্য করে এবং এর মাধ্যমেই এটি গ্যালাকটোজেনিক (দুধ নিঃসরণ সহায়ক) প্রভাব দেখায়। এছাড়াও, ডোপামিন হ্রাসের ফলে প্রোল্যাক্টিন হরমোনের মাত্রা বৃদ্ধি পায়, যা স্তন্যদানের জন্য আরও সহায়ক হয়। ক্ষুধা উদ্দীপক প্রভাব : মায়ের ক্ষুধা উদ্দীপিত করার মাধ্যমে স্তনদুগ্ধের পরিমাণ ও গুণগত মান উন্নত করা সম্ভব। Allium sativum (রসুন) একটি প্রাকৃতিক গ্যাস্ট্রিক উত্তেজক (gastric stimulant) হিসেবে পরিচিত, যা ক্ষুধা বৃদ্ধি করতে সহায়তা করে। এইভাবে, ক্ষুধা বৃদ্ধি করার মাধ্যমে পরোক্ষভাবে মায়ের দুধের গুণগত মান ও পরিমাণ বৃদ্ধি পায়। অন্যান্য প্রভাব : Allium sativum (রসুন)-এর গ্যালাকটোজেনিক (দুধ বৃদ্ধিকারী) প্রভাবের আরেকটি কারণ হলো এটি মায়ের দুবে এক বিশেষ গন্ধ ও স্বাদ (রসুনের গন্ধ ও স্বাদ) প্রদান করে, যা শিশুর ইন্দ্রিয়তাল্লিক (sensory) সাড়া বাড়ায় এবং ফলে শিশু আরও জোরে ও আগ্রহসহকারে স্তন চুষে, যার ফলে দুধ নিঃসরণ বৃদ্ধি পায়। এছাড়াও, Leptadenia reticulata (জীবন্তী) এবং Asparagus racemosus (শতাবরী)-এর গ্যালাকটোজেনিক প্রভাব রয়েছে বলে জানা গেছে, বা গড় দুধ উৎপাদন বৃদ্ধিতে সহায়ক।

মাত্রা ও সেবনবিধি

প্রতিদিন ১ থেকে ২টি ক্যাপসুল দিনে দুইবার করে সেবন করতে হবে ৩ মাস পর্যন্ত অথবা চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী গ্রহণ করতে হবে।

প্রতিনির্দেশনা

গর্ভাবস্থায় এটি ব্যবহার করা উচিত নয়।

পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া

চিকিৎসকের নির্দেশিত মাত্রা অনুযায়ী গ্রহণ করলে এই প্রোডাক্টটির কোনো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নেই।

গর্ভাবস্থায় ও স্তন্যদানকালে

সতর্কতা

উল্লেখিত মাত্রা অতিক্রম করবেন না।

থেরাপিউটিক ক্লাস

Herbal and Nutraceuticals

সংরক্ষণ