নির্দেশনা
ফাইটোমেনাডিওন (ভিটামিন কে-১) নিম্নোক্ত উপসর্গে নির্দেশিত- নবজাতকের ক্ষেত্রে প্রতিরোধক হিসাবে ও হেমোরেজিক অবস্থায় ব্যবহার্য। তীব্র হাইপোপ্রোথ্রম্বিনেমিয়ার (i.e. deficiency of clotting factors II, VII, IX and X) কারনে সৃষ্ট হেমোরেজ বা তার ঝুঁকি, কোউমারিন জাতীয় অ্যান্টি কোয়াগুলেন্টের অতিমাত্রায় ব্যবহার, ফিনাইল বিউটাজোন এবং হাইপোভিটামিনোসিস-কে (জন্ডিস, লিভার ও ইন্টেসটাইনের অকার্যকারিতা, দীর্ঘমেয়াদী অ্যান্টিবায়োটিক, সালফোনামাইড, সালফোনামাইড ও স্যালিসাইলেটের ব্যবহার)। ভিটামিন কে এর অভাবজনিত রক্তক্ষরণে ব্যবহার্য।
Composition
ফার্মাকোলজি
ফাইটোমেনাডিওন (ভিটামিন কে-১) একটি প্রো-কোয়াগুলেন্ট ফ্যাক্টর। এটি হেপাটিক কার্বোক্সিলেজ সিস্টেমের উপাদান হিসেবে clotting factors II (prothrombin), VII, IX and X and the clotting inhibitors protein C and protein S এর সাথে জড়িত। বংশগত হাইপোপ্রোথ্রম্বিনেমিয়া অথবা এ সংক্রান্ত জটিল হেপাটিক ফেইলিওরে ফাইটোমেনাডিওন অকার্যকর। ফাইটোমেনাডিওন এর অভাবে নবজাতকের হেমোরেজিক অসুখের সম্ভবনা ও প্রবনতা বেড়ে যায়। কোয়াগুলেশন ফ্যাক্টর এর সস্লেশনকে তরান্বিত করার কারণে ফাইটোমেনাডিওন অস্বাভাবিক কোয়াগুলেশন ও রক্তক্ষরণ নিয়ন্ত্রণ করতে পারে।
মাত্রা ও সেবনবিধি
প্রতিষেধক : মৃদু হেমোরেজ বা হেমোরেজের প্রবণতা: নবজাতকের ক্ষেত্রে সাধারণত: জন্মের সঙ্গে সঙ্গে বা সামান্য পরে ২ মি.গ্রা. মাত্রায় মুখে খাওয়াতে হয়। পরবর্তীতে ৪র্থ-৫ম দিনে ২ মি.গ্রা. ও ২৮ তম-৩০ তম দিনে আরো ২ মি.গ্রা. মুখে খাওয়াতে হবে। মুখে খাওয়ানো না গেলে আইভি/আইএম পথে একই মাত্রায় দেয়া যায়। এক বছরের বেশি বয়সের শিশুর ক্ষেত্রে ৫-১০ মি.গ্রা. পর্যন্ত মুখে খাওয়ানো যেতে পারে। শিশুদের ক্ষেত্রে দ্বিতীয় অথবা তৃতীয়বার ফাইটোমেনাডিওন মুখে খাওয়ানোর ব্যবহার যদি নিশ্চিত না হয় তবে ১ মি.গ্রা. (০.১ মি.লি.) আইএম পথে দেয়া যেতে পারে। চিকিৎসা : প্রাথমিকভাবে ১ মি.গ্রা. আইভি পথে দেয়া যেতে পারে যা পরবর্তীতে কিনিক্যাল ও কোয়াগুলেশন অবস্থার উপর ভিত্তি করে পরিবর্তিত হতে পারে। বিশেষ ঝুঁকিপূর্ণ নবজাতক : [প্রি-ম্যাচ্যুরিটি, বার্থ অ্যাসফিক্সিয়া (জন্মগ্রহনকালে শিশুর অপর্যাপ্ত অক্সিজেন গ্রহন), অবস্ট্রাকটিভ জন্ডিস, গলাধ:করণ করতে না পারা, মায়ের অ্যান্টি কোয়াগুলেন্ট অথবা অ্যান্টি এপিলেপ্টিক জাতীয় ওষুধ সেবন]: যদি মুখে না খাওয়ানো যায় তবে ১ মি.গ্রা. আইএম অথবা আইভি পথে জন্মের সময় প্রি-ম্যাচ্যুর শিশুর ওজন ২.৫ কেজির কম হলে আইএম বা আইভি মাত্রা ০.৪ মি.গ্রা./কেজি অতিক্রম করতে পারবে না। পরবর্তী ডোজের পরিমান কোয়াগুলেশন পরিস্থিতির উপর নির্ভর করবে।
প্রতিনির্দেশনা
এই প্রস্তুতির যে কোন উপাদানের প্রতি অতিসংবেদনশীল রোগীদের ক্ষেত্রে ব্যবহার করা উচিৎ নয়।
পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া
ফাইটোমেনাডিওন ইঞ্জেকশন ব্যবহারের ক্ষেত্রে কিছু অ্যানাফাইল্যাকটয়েড প্রতিক্রিয়া ও ভেনাস ইরিটেশন/ফ্লেবাইটিস এর তথ্য পাওয়া গেছে।
গর্ভাবস্থায় ও স্তন্যদানকালে
সতর্কতা
লিভারের তীব্র অকার্যকারীতার রোগীর ক্ষেত্রে সাবধানতার সাথে কোয়াগুলেশন বৈশিষ্ট্য পর্যবেক্ষণ করতে হবে।
থেরাপিউটিক ক্লাস
Vitamin-K Preparations