নির্দেশনা
কোষ্ঠকাঠিণ্য (পুরাতন কোষ্ঠকাঠিণ্য): যে কোন পুরাতন কোষ্ঠকাঠিণ্যের ক্ষেত্রে প্রাথমিক চিকিৎসা হচ্ছে তন্তুযুক্ত খাবার (শাক-সবজি, সালাদ, ফলমূল ইত্যাদি) পর্যাপ্ত পরিমাণ তরল খাবার ও ব্যায়াম। এগুলো অপর্যাপ্ত হলে ল্যাকটুলোজ সেবন করা যেতে পারে। আন্ত্রিক ফ্লোরার গোলযোগ: উচ্চ ক্ষমতার এন্টিবায়োটিক ব্যবহারে আন্ত্রিক ফ্লোরার ক্ষতি হলে, পিত্ত থলিতে রোগ হলে, আন্ত্রিক রোগসমূহ (কোলাইটিস, ডাইভারটিকুলোসিস, মেগাকোলন)। রক্তে অ্যামোনিয়া স্তর বেড়ে গেলে যে সব রোগ হয় (হাইপার-অ্যামোনেমিয়া, পোর্টাল-সিস্টেমিক এনসেফালোপ্যাথী)।
Composition
ফার্মাকোলজি
ল্যাকটুলোজ একটি সংশ্লেষিত ডাইস্যাকারাইড। ল্যাকটুলোজ কোলনে স্যাকারোলাইটিক ব্যাকটেরিয়ার মাধ্যমে বিপাক হয়ে কম আণবিক ভরের জৈব এসিড উৎপাদন করে (প্রধানত ল্যাকটিক এসিড), যা কোলনে pH কমিয়ে অসমোটিক কার্যকারিতার মাধ্যমে পানিকে ধরে রাখতে সহায়তা করে। ফলে পেরিসটালটিক কার্যকারিতা বৃদ্ধি পায়। ল্যাকটুলোজ অল্প পরিমাণে শোষিত হয়; তাই এটির থেরাপিউটিক কার্যকারিতা শোষিত উপাদান সমূহের ফার্মাকোকাইনেটিক-এর সাথে প্রাসঙ্গিক নয়।
মাত্রা ও সেবনবিধি
কোষ্ঠকাঠিণ্য (পুরাতন কোষ্ঠকাঠিণ্য): প্রাপ্ত বয়স্ক : প্রারম্ভিকভাবে দৈনিক ৩-৬ চা-চামচ, দীর্ঘমেয়াদী চিকিৎসায় দৈনিক ১.৫-৬ চা-চামচ অনুর্ধ্ব ১৪ বছর : প্রারম্ভিকভাবে দৈনিক ৩ চা-চামচ, দীর্ঘমেয়াদী চিকিৎসায় দৈনিক ১-২ চা-চামচ ছোট এবং শিশু : প্রারম্ভিকভাবে দৈনিক ১-২ চা-চামচ, দীর্ঘমেয়াদী চিকিৎসায় দৈনিক ১ চা-চামচ আন্ত্রিক ফ্লোরার গোলযোগ: প্রাপ্ত বয়স্ক : দৈনিক ১-২ চা-চামচ শিশু : দৈনিক ১ চা-চামচ রক্তে অ্যামেনিয়ার স্তর কমাতে: হেপাটোপ্যাথীতে : অ্যামেনিয়ার স্তর কমাতে দৈনিক সর্বোচ্চ ১৮ থেকে ৩০ চা-চামচ। পোর্টাল সিস্টেমিক এনসেফালোপ্যাথীর ক্ষেত্রে : শুরুতে প্রতি ঘন্টায় ৬-৯ চা-চামচ করে দ্রুত লেক্সেশন হওয়ার জন্য ল্যাকটুলোজ দেয়া যেতে পারে। লেক্সেটিভ প্রভাব পৌছালে সেবনমাত্রা কমাতে হবে।
প্রতিনির্দেশনা
গ্যালাকটোজ বা ল্যাকটোজের প্রতি অতিসংবেদনশীলতা, গ্যালাকটোজ মুক্ত খাবারের ক্ষেত্রে, অন্ত্র সম্পর্কিত হৃদযন্ত্রের অসুবিধা, অনুমানকৃত আন্ত্রিক প্রতিবন্ধক।
পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া
চিকিৎসার শুরুতে পেটফাঁপা, আন্ত্রিক সংকোচন এবং উদরীয় অস্বস্তি দেখা দিতে পারে যা সেবনমাত্রা হ্রাসের মাধ্যমে দ্রুত অপসৃত হয়। মাত্রাধিক্যে ডায়রিয়া দেখা দেয়। অপব্যবহারে, ইলেক্ট্রোলাইট-এর ঘাটতি দেখা দেয় (প্রাথমিক ভাবে পটাশিয়াম)।
গর্ভাবস্থায় ও স্তন্যদানকালে
USFDA প্রেগন্যান্সি ক্যাটাগরী অনুযায়ী ল্যাকটুলোজ B শ্রেণীভুক্ত ঔষধ। পরীক্ষণে দেখা গেছে যে, ল্যাকটুলোজের কোন ক্ষতিকর ক্রিয়া নেই। তারপরও গর্ভাবস্থা এবং দুগ্ধদানকালে নিপ্রোল্যাক প্রয়োগে সিদ্ধান্ত কেবল মাত্র চিকিৎসক নিবেন।
সতর্কতা
ল্যাকটুলোজ-এর প্রতি সহনশীল নয় এমন রোগীদের অতি সতর্কতার সাথে নিপ্রোল্যাক ব্যবহার করা উচিত। সাধারণত (প্রি) কোমা হেপাটিকাম-এর চিকিৎসায় এটির মাত্রা অনেক বেশি এবং ডায়বেটিস রোগে আক্রান্ত রোগীদের ক্ষেত্রে এটির ব্যবহার বিবেচনা করতে হবে।
থেরাপিউটিক ক্লাস
Osmotic purgatives