নির্দেশনা
ক্লিনডামাইসিন ও ট্রেটিনইন জেল ত্বকের ব্রণ চিকিৎসায় নির্দেশিত।
Composition
ফার্মাকোলজি
এই জেল একটি লিনকোসেমাইড এন্টিবায়োটিক ক্লিনডামাইসিন ফসফেট এবং একটি রেটিনয়েড ট্রেটিনইনের সংমিশ্রণে তৈরী। ক্লিনডামাইসিন ব্যাকটেরিয়ার ৫০ এস রাইবোসোমাল সাব ইউনিটের সাথে যুক্ত হয় পেপটাইডাল রূপান্তর-এ বাধা প্রদানের মাধ্যমে প্রোটিন শিকলের বৃদ্ধি ব্যহত করে। ফলে ব্যাকটেরিয়ার প্রোটিন সংশ্লেষণ বন্ধ করে দেয়। ক্লিনডামাইসিন প্রোপিওনিব্যাকটেরিয়াম একনিস নামক জীবাণুর কার্যক্রিয়াকে বাধা দেয়, ফলে ব্রণের সংক্রমণ হ্রাস পায়। ট্রেটিনইন ফলিকুলার এপিথেলিয়াল কোষের সংযুক্তি কমিয়ে দেয় এবং টার্ন ওভার বাড়ানোর মাধ্যমে কমেডন বের করে দেয়।
মাত্রা ও সেবনবিধি
ঘুমানোর আগে : সাবান ও মৃদু গরম পানি দিয়ে মুখ পরিস্কার করে শুকিয়ে নিতে হবে। হাতের আঙ্গুলের সাহায্যে জেল নিয়ে মুখের ত্বকে আলতো করে লাগাতে হবে। সকালে : মুখের ত্বকে জেল প্রয়োগের পরে সানস্ক্রীন ক্রীম লাগাতে হবে। সারাদিনে ২-৩ বারের বেশী মুখ ধোয়া উচিত নয় এবং সানস্ক্রীন ক্রীম প্রয়োজন অনুসারে ব্যবহার করতে হবে। শিশুদের ক্ষেত্রে : ১২ বছরের কম বয়সী শিশুদের ক্ষেত্রে ক্লিনডামাইসিন ও ট্রেটিনইন জেল ব্যবহারে নিরাপত্তা ও কার্যকারিতা এখনও প্রতিষ্ঠিত হয়নি।
প্রতিনির্দেশনা
যাদের ক্লিনডামাইসিন ও ট্রেটিনইন অথবা জেল-এ উপস্থিত যে কোন উপাদানের প্রতি সংবেদনশীলতা আছে তাদের ক্ষেত্রে ব্যবহার করা যাবে না।
পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া
ইরাইথেমা, চুলকানি, ন্যাসোফেরেনজাইটিস, ত্বকের শুষ্কতা, কাশি, সাইনোসাইটিস ও ডায়রিয়া হতে পারে।
গর্ভাবস্থায় ও স্তন্যদানকালে
ত্বকীয় ক্লিনডামাইসিন ও ট্রেটিনইন মাতৃদুগ্ধে নিঃসৃত হওয়ার কোন পরীামূলক প্রমাণ পাওয়া যায়নি। অতএব স্তন্যদানকারী মায়েদের ক্ষেত্রে ক্লিনডামাইসিন ও ট্রেটিনইন ব্যবহারে বিশেষ সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে।
সতর্কতা
নাক, ঠোঁট, কান ও ক্ষত স্থানে ক্লিনডামাইসিন ও ট্রেটিনইন জেল ব্যবহার করা উচিত নয়। জেল প্রয়োগের পরে সূর্যের আলো থেকে দূরে থাকতে হবে।
থেরাপিউটিক ক্লাস
Topical antibiotic & retinoid preparations