নির্দেশনা
সেক্নিডাজল নিম্নোক্ত উপসর্গে নির্দেশিত- আন্ত্রিক অ্যামিবিয় আমাশয় যকৃতের অ্যামিবিয় প্রদাহ ট্রাইকোমোনাস ভ্যাজাইনালিস জনিত মূত্রনালীর প্রদাহ ও যোনি প্রদাহ জিয়ারডিয়াসিস
উপাদান
ফার্মাকোলজি
সেবনের পরে সেক্ নিডাজল দ্রুত বিশোষিত হয় । ২ গ্রাম সেক্ নিডাজল সেবনের ৩ ঘন্টা পর সর্বোচ্চ সেরাম মাত্রা পাওয়া যায় । প্লাজমা হাফ লাইফ প্রায় ২০ ঘন্টা । বেশির ভাগ সেক্ নিডাজল এর অপসারন ঘটে মূত্রের মাধ্যমে ( গৃহীত মাত্রার ৫০ % নিঃসৃত হয় ১২০ ঘন্টার মধ্যে) । সেকনিডাজল এর ভেষজ ক্রিয়াশীলতা সংক্রান্ত পরিলেখ , ২ গ্রাম এর একক মাত্রার সাহায্যে ৭২ ঘন্টার নিরাময়িক রক্ত মাত্রার নিশ্চয়তা প্রদানের মাধ্যমে , একে সকল দ্বিতীয় প্রজন্মের নাইট্রোইমিডাজল এর মধ্যে দীর্ঘতম অর্ধ জীবন দিয়ে থাকে ।
মাত্রা ও সেবনবিধি
তীব্র আন্ত্রিক অ্যামিবিয় আমাশয়: প্রাপ্ত বয়স্ক : ২ গ্রাম এর একক মাত্রা; খাদ্য গ্রহণের ঠিক আগে সেবন বাঞ্চনীয়। শিশু : ৩০ মি.গ্রা./কি.গ্রা. (দেহের ওজন অনুসারে) একক মাত্রা; খাদ্য গ্রহণের ঠিক আগে সেবন বাঞ্চনীয়। লক্ষণহীন অ্যামিবিয় আমাশয় (মাইন্যুট ও সিস্টিক প্রকারের): প্রাপ্ত বয়স্ক : ২ গ্রাম এর দৈনিক মাত্রা ৩ দিন ধরে সেব্য; খাদ্য গ্রহণের ঠিক আগে সেবন বাঞ্চনীয়। শিশু : ৩০ মি.গ্রা./কি.গ্রা. (দেহের ওজন অনুসারে) দৈনিক মাত্রা ৩ দিন ধরে সেব্য; খাদ্য গ্রহণের ঠিক আগে সেবন বাঞ্চনীয়। যকৃতের অ্যামিবিয় প্রদাহ: যকৃতের অ্যামিবিয় প্রদাহের পুঁজ উৎপাদী পর্যায়ে সেকনিডাজল দ্বারা চিকিৎসার সাথে সাথে অবশ্যই পুঁজ বের করে দিতে হবে। প্রাপ্ত বয়স্ক : ১.৫ গ্রাম একক বা বিভক্ত মাত্রায় ৫ দিন ধরে সেব্য; খাদ্য গ্রহণের ঠিক আগে সেবন বাঞ্চনীয়। শিশু : ৩০ মি.গ্রা./কি.গ্রা. (দেহের ওজন অনুসারে) একক বা বিভক্ত মাত্রায় ৫ দিন ধরে সেব্য খাদ্য গ্রহণের ঠিক আগে সেবন বাঞ্চনীয়। জিয়ারডিয়াসিস: প্রাপ্ত বয়স্ক : ২ গ্রাম এর একক মাত্রা; খাদ্য গ্রহণের ঠিক আগে সেবন বাঞ্চনীয়। শিশু : ৩৫-৫০ মি.গ্রা./কি.গ্রা. (দেহের ওজন অনুসারে) একক মাত্রা: খাদ্য গ্রহণের ঠিক আগে সেবন বাঞ্চনীয়। ট্রাইকোমোনিয়াসিস: প্রাপ্ত বয়স্ক : ২ গ্রাম এর একক মাত্রা; খাদ্য গ্রহণের ঠিক আগে সেবন বাঞ্চনীয়। স্ত্রীর বা স্বামীরও একই রূপ চিকিৎসা করা উচিত।
প্রতিনির্দেশনা
সেক্নিডাজল জাতীয় ওষুধ সমূহের প্রতি জ্ঞাত অতিসংবেদনশীলতা।
পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া
গবেষণায় দেখা গেছে যে, সেক্নিডাজল এর সহনীয়তা অত্যন্ত ভাল এবং এখন পর্যন্ত কোন বিরূপ প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। সকল নাইট্রোইমিডাজল জাতীয় ওষুধের ক্ষেত্রে যেমন প্রযোজ্য, তেমনি সেক্নিডাজল এর নিম্ন বর্ণিত পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া সমূহ দেখা যেতে পারে এবং সেগুলো বিরল ক্ষেত্রে গুরুতর হয়ে থাকে। প্রধানত বমিভাব, ধাতব স্বাদ, জিহ্বা প্রদাহ, মুখ গহ্বর প্রদাহ। মাঝে মধ্যে আর্টিকেরিয়া, মাঝারী ধরণের লিউকোপেনিয়া, যা চিকিৎসা বন্ধ করার সাথে সাথে অন্তর্হিত হয়।
গর্ভাবস্থায় ও স্তন্যদানকালে
গর্ভধারণ কালে প্রথম তিন মাসের পর সেক্নিডাজল সেবনের পরামর্শ দেয়া যেতে পারে। অন্যান্য ওষুধের ক্ষেত্রে যেমন প্রযোজ্য, তেমনি সেক্নিডাজল ও গর্ভধারণ কালের প্রথম তিন মাসের মধ্যে অথবা স্তন্যদানকালীন সময়ের মধ্যে সেবন করা উচিত নয়। কারণ, সেক্নিডাজল প্লাসেন্টা ও মাতৃদুগ্ধে পাওয়া যায়।
সতর্কতা
সেক্নিডাজল দ্বারা চিকিৎসার সময় রোগীদের অ্যালকোহল গ্রহণ না করার পরামর্শ দেয়া উচিত। যেসব রোগীর ব্লাড ডিস্ক্রেসিয়ার ইতিহাস আছে, সেসব রোগীকে সেক্নিডাজল সেবনের পরামর্শ প্রদান করা থেকে বিরত থাকা উচিত।
থেরাপিউটিক ক্লাস
Amoebicides, Anti-diarrhoeal Antiprotozoal