নির্দেশনা
ইহা নিম্নোক্ত উপসর্গে নির্দেশিত- রক্ত দূষণ ফোড়া ব্রণ ফুসকুড়ি বিবর্ণতা একজিমা সোরাইসিস খোস-পাঁচড়া নাকের রক্তক্ষরণ কোষ্ঠকাঠিন্য স্থূলতা অবসাদ হাম এবং প্রস্রাবকালীন জ্বালা-পোড়া।
উপাদান
- সিরাপ : প্রতি ৫ মিলি সিরাপে আছে (জলীয় নির্যাস আকারে) সোনাপাতা ১৭.০০ মিগ্রা, রেউচিনি ১৩.০০ মিগ্রা, কালকাসুন্দে ১২.৫০ মিগ্রা, তুলসী ২.৫০ মিগ্রা, তেউরী মূল ২.০০ মিগ্রা, গোলাপ ফুল ২.০০ মিগ্রা, মুন্ডীরী ফুল ২.০০ মিগ্রা, নীলকণ্ঠী ২.০০ মিগ্রা, ক্ষেতপাপড়া ২.০০ মিগ্রা, অপরাজিতা ২.০০ মিগ্রা, নাগদনা ২.০০ মিগ্রা, শাপলা ফুল ১.২৫ মিগ্রা, শিশু পাতা ১.২৫ মিগ্রা, রক্তচন্দন ১.২৫ মিগ্রা, গুলঞ্চ ১.২৫ মিগ্রা, হরীতকী ১.২৫ মিগ্রা, একাঙ্গি ১.২৫ মিগ্রা, চিরতা ১.২৫ মিগ্রা, কালমেঘ ১.২৫ মিগ্রা, রক্ত কাঞ্চন ১.২৫ মিগ্রা, নিম ১.২৫ মিগ্রা, হলুদ ১.২৫ মিগ্রা এবং সহযোগী উপাদান পরিমাণমত।
- ক্যাপসুল : প্রতি ক্যাপসুলে আছে- সোনাপাতা ৬০.০০ মিগ্রা, রেউচিনি ৫২.০০ মিগ্রা, কালকাসুন্দে ৫০.০০ মিগ্রা, তুলসী ১০.০০ মিগ্রা, তেউরী মূল ৮.০০ মিগ্রা, গোলাপ ফুল ৮.০০ মিগ্রা, মুন্ডীরী ফুল ৮.০০ মিগ্রা, নীলকণ্ঠী ৮.০০ মিগ্রা, ক্ষেতপাপড়া ৮.০০ মিগ্রা, অপরাজিতা ৮.০০ মিগ্রা, নাগদনা ৮.০০ মিগ্রা, শাপলা ফুল ৫.০০ মিগ্রা, শিশু পাতা ৫.০০ মিগ্রা, রক্তচন্দন ৫.০০ মিগ্রা, গুলঞ্চ ৫.০০ মিগ্রা, হরীতকী ৫.০০ মিগ্রা, একাঙ্গি ৫.০০ মিগ্রা, চিরতা ৫.০০ মিগ্রা, কালমেঘ ৫.০০ মিগ্রা, রক্ত কাঞ্চন ৫.০০ মিগ্রা, নিম্ন ৫.০০ মিগ্রা, হলুদ ৫.০০ মিগ্রা ও সহযোগী উপাদান পরিমাণমত। সূত্রঃ বাংলাদেশ জাতীয় ইউনানী ফর্মুলারী
ফার্মাকোলজি
ইহার প্রধান উপাদানসমূহের কার্যকারিতা- সোনাপাতা : পাকস্থলীকে পরিষ্কার রাখে এবং চর্মরোগ প্রতিরোধে সহায়তা করে। রেউচিনি : রক্ত পরিশোধক। ইহা লিভারের কার্যকারিতাকে উন্নত করে এবং কোষ পুনঃমেরামত করে। নিম : রক্ত পরিশোধক এবং সকল প্রকার চর্ম রোগ নিরাময় করে। চিরতা : রক্ত পরিশোধক এবং ত্বককে বিষমুক্ত করার মাধ্যমে কোমল ও মসৃণ করে। তুলসী : রক্ত সঞ্চালন বৃদ্ধি করে এবং ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়ায়।
মাত্রা ও সেবনবিধি
সিরাপ: প্রাপ্ত বয়স্ক: ২-৪ চা চামচ দৈনিক ১-২ বার। অপ্রাপ্ত-বয়স্ক: ½-১ চা চামচ দৈনিক ১-২ বার। ক্যাপসুল : ১ ক্যাপসুল দৈনিক ২ বার। অথবা রেজিস্টার্ড চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী সেব্য।
প্রতিনির্দেশনা
কোন প্রতি নির্দেশ নেই।
পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া
নির্ধারিত মাত্রায় সেবনে কোন পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া পরিলক্ষিত হয় না।
গর্ভাবস্থায় ও স্তন্যদানকালে
সতর্কতা
ইহা সেবনের সময় ক্ষুধার পরিমাণের চেয়ে কম খেতে হবে। ভাজা, মশলা এবং গুরুপাক খাদ্য পরিহার করতে হবে। শিশুদের নাগালের বাইরে রাখুন। মেয়াদোত্তীর্ণের পর ওষুধের ব্যবহার থেকে বিরত থাকুন।
থেরাপিউটিক ক্লাস
Herbal and Nutraceuticals
সংরক্ষণ