নির্দেশনা
মিওরাল ওরাল সলিউশন মুখ গহ্বর, মাড়ি ও গলার পাতলা ঝিল্লীর তীব্র ও দীর্ঘমেয়াদী প্রদাহ যেমন অ্যাপথাস আলসার, জ্বটঠুঁটো, জিনজিভাইটিস, পেরিওডোনটাইটিস, দাঁতের প্ল্যাক, দাঁতের অতি সংবেদনশীলতা ও কৃত্রিম দাঁত ব্যবহারজনিত প্রদাহে নির্দেশিত।
উপাদান
ফার্মাকোলজি
স্যালিসাইলিক এসিড সাইক্লো-অক্সিজেনেজ নামক এনজাইমকে বাঁধা দিয়ে প্রোস্টাগ্লানডিন তৈরী হওয়া বন্ধ করে ক্রিয়া প্রদান করে এবং রুবার্ব এ্যাক্সট্রাক্ট এনথ্রাকুইনোন গ্লাইকোসাইডস ধারণ করে যা প্রদাহে প্রদাহরোধী হিসেবে কাজ করে। মুখ গহবরের পাতলা ঝিল্লী দিয়ে ভালভাবে শোষণ হয় ।
মাত্রা ও সেবনবিধি
প্রাপ্তবয়স্ক (বার্ধক্যজনিত রোগী) : এই ওরাল সলিউশন মুখ গহব্বর ও গলার পাতলা ঝিল্লীর প্রদাহযুক্ত স্থানে দিনে ৩-৪ বার ব্রাশ ব্যবহার করে (কৃত্রিম দাঁত থাকলে তা সরিয়ে) প্রয়োগ করতে হবে। প্রয়োগ করার পর ১৫ মিনিট পর্যন্ত কোন কিছু খাওয়া বা কুলি করা থেকে বিরত থাকতে হবে। প্রতিবার ব্যবহারের পর সাথে সাথে বোতলের মুখ বন্ধ রাখতে হবে। শিশু : ১২ বছরের নীচের শিশুদের ক্ষেত্রে ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী ব্যবহার করতে হবে।
প্রতিনির্দেশনা
কোন উপাদানের প্রতি অতি সংবেদনশীলতা থাকলে এটি প্রয়ােগ করা যাবে না।
পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া
সাধারণত প্রয়োগ স্থানে সামান্য জ্বালাপোড়া অনুভব হতে পারে। ওরাল সলিউশন প্রয়োগের পর অস্থায়ীভাবে দাঁত বা মুখ গহবর বর্ণচ্যুত হওয়ার প্রবণতা থাকতে পারে।
গর্ভাবস্থায় ও স্তন্যদানকালে
গর্ভকালীন : গর্ভাবস্থায় ভ্রুনের বৃদ্ধিকালীন সময়ে এর ফলাফলের উপর এ্যানিম্যাল স্ট্যাডি অপর্যাপ্ত। মানুষের উপর এর বিরুপ প্রভাবের ঝুঁকি জানা যায়নি। গর্ভবতী মহিলার উপর প্রয়োগের সময় সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে। স্তন্যদানকালীন : এনথ্রানোয়েড গ্লাইকোসাইডস, যা রুবার্ব থেকে পাওয়া যায়, মাতৃদুগ্ধের মধ্য দিয়ে নিঃসরিত হয়। যদিও ওরাল সলিউশনের থেরাপিউটিক মাত্রায় জানা যায়নি যে এটি অথবা স্যালিসাইলিক এসিড মাতৃদুগ্ধের মধ্য দিয়ে নিঃসরিত হয়। স্তন্যদানকালীন ওরাল সলিউশনের প্রয়োগের সুবিধা এবং বাচ্চার মায়ের বুকের দুধ পানের সুবিধা বিবেচনা করে সিদ্ধান্ত নিতে হবে, দুগ্ধপান চালিয়ে যাবে নাকি ওরাল সলিউশনের চিকিৎসা চালিয়ে যাবে।
সতর্কতা
প্রতি বোতলে এই ওরাল সলিউশন শুধুমাত্র একজনই ব্যবহার করবে।
থেরাপিউটিক ক্লাস
Oral preparations
সংরক্ষণ