নির্দেশনা
ওমারিগ্লিপটিন প্রাপ্তবয়স্ক রোগীদের টাইপ ২ ডায়াবেটিস রোগের চিকিৎসায় নির্দেশিত।
Composition
ফার্মাকোলজি
ওমারিগ্লিপটিন একটি ডাইপেপটিডাইল পেপটাইডেস-৪ (ডিপিপি-৪) এনজাইম এর বিরুদ্ধে একটি দীর্ঘ সময় কার্যকরী প্রতিরোধক। ডিপিপি-৪ দ্রুত ইনক্রিটিন হরমোনের কার্যকারিতা বিনষ্ট করে ফেলে। অন্যদিকে ইনক্রিটিনসমূহ খাদ্য গ্রহণের প্রতিক্রিয়া হিসাবে একটি গ্লুকোজ-নির্ভর পদ্ধতিতে ইনসুলিন নিঃসরণ বাড়িয়ে এবং গ্লুকাগনের লেভেল কমিয়ে রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা হ্রাস করে। এভাবে, ওমারিস্লিপটিন এর কার্যপ্রণালী ইনক্রিটিন হরমোনের কার্যকারিতাকে বৃদ্ধি করে।
মাত্রা ও সেবনবিধি
ওষুধ গ্রহণের পথা : ওমারিগ্লিপটিন ট্যাবলেট মুখে গ্রহণ করতে হবে। অনুমোদিত মাত্রা : ওমারিগ্লিপটিন এর অনুমোদিত মাত্রা হচ্ছে ২৫ মিগ্রা সপ্তাহে একবার একক চিকিৎসায় অথবা গ্লাইসেমিক নিয়ন্ত্রণের অপ্টিমাইজেশনের জন্য সংযোজক চিকিৎসায়। রোগী যদি কোনো মাত্রা খেতে ভুলে যায়, তাহলে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব বাদ যাওয়া মাত্রাটি গ্রহণ করার এবং তারপর নিয়মিত সাপ্তাহিক মাত্রার সময়সূচীটি অনুসরণ করার পরামর্শ দিতে হবে। কখনোই একবারে দুইটি জোড়া গ্রহণ করা যাবে না। বৃত্তের অকার্যকারিতা : বৃক্কের গুরুতর অকার্যকারিতা অথবা শেষ পর্যায়ের বুকের ফেইলিউর রোগীদের ক্ষেত্রে অথবা যাদের হেমোডায়ালাইসিস বা পেরিটোনাল ডায়ালাইসিস প্রয়োজন হয় তাদের ক্ষেত্রে নিম্নলিখিত চার্ট অনুসারে মাত্রা প্রয়োগ করতে হবেঃ পুরুষঃ CrCl >১.৯ঃ ১২.৫ মিগ্রা করে সপ্তাহে একবার মহিলারঃ CrCl >১.৪ঃ ১২.৫ মিগ্রা করে সপ্তাহে একবার শিশু ও কিশোর রোগীদের ক্ষেত্রে : ওমারিগ্লিপটিন এর নিরাপদ ব্যবহার এবং কার্যকারিতা প্রতিষ্ঠিত হয়নি।
প্রতিনির্দেশনা
যাদের ওমারিগ্লিপটিন বা এই ওষুধের অন্যান্য উপাদানের প্রতি অতিসংবেদনশীলতা রয়েছে তাদের ক্ষেত্রে এটি প্রতিনির্দেশিত। এছাড়া এটি টাইপ ১ ডায়াবেটিস রোগীদের গুরুতর কিটোসিস, ডায়াবেটিক কোমা বা প্রিকোমাতেও প্রতিনির্দেশিত। ওমারিগ্লিপটিন গুরুতর সংক্রমণ যেখানে ইনসুলিন ইনজেকশনের মাধ্যমে গ্লাইসেমিক নিয়ন্ত্রণ করা প্রয়োজন, অস্ত্রোপচারের আগে ও পরে এবং শু আঘাতপ্রাপ্ত রোগীদের ক্ষেত্রে প্রতিনির্দেশিত।
পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া
ওমারিগ্লিপটিন এর বিরূপ প্রভাবসমূহ সাধারণত সুসহনীয়। সাধারণ পার্শ্ব প্রতিক্রিয়াগুলো হলো নাসোফ্যারিঞ্জাইটিস, হাইপোগ্লাইসেমিয়া, কোষ্ঠকাঠিন্য, ডায়রিয়া, গ্যাস্ট্রোইনটেস্টাইনাল সমস্যা, ত্বক এবং সাবকিউটেনিয়াস টিস্যুর রোগ।
গর্ভাবস্থায় ও স্তন্যদানকালে
গর্ভবর্তী মহিলাদের ক্ষেত্রে ওমারিগ্লিপটিন ব্যবহারের ক্লিনিকাল ট্রায়াল করা হয় নি। এটি গর্ভাবস্থায় শুধুমাত্র তখনই ব্যবহার করা উচিত যখন প্রত্যাশিত সুবিধাসমূহ ভ্রূণের সম্ভাব্য ঝুঁকিকে ছাড়িয়ে যায়। ওমারিগ্লিপটিন গ্রহণকারী মায়েদের স্তন্যদান করা থেকে বিরত থাকতে হবে।
সতর্কতা
ওমারিগ্লিপটিন নিম্নলিখিত রোগীদের ক্ষেত্রে অথবা যেসকল অবস্থায় রক্তের সুগার কমে যেতে পারে সেসব ক্ষেত্রে সতর্কতার সাথে প্রয়োগ করতে হবে যেমন পিটুইটারি অকার্যকারিতা বা অ্যাড্রেনাল অপর্যাপ্ততা, অপুষ্টি, অনাহার, অনিয়মিত খাদ্য গ্রহণ, খাদ্য গ্রহণের অভাব বা দুর্বল অবস্থার প্রচুর পেশী নড়াচড়া, অত্যধিক অ্যালকোহল গ্রহণ এবং বয়স্ক ব্যক্তিদের। আকাশপথের কাজ বা অটোমোবাইল পরিচালনায় নিযুক্ত রোগীদের সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে।
থেরাপিউটিক ক্লাস
Dipeptidyl Peptidase-4 (DPP-4) inhibitor