নির্দেশনা
হাইড্রক্সিইউরিয়া নিম্নলিখিত চিকিৎসার জন্য নির্দেশিত হয়: পলিসাইথেমিয়া থ্রম্বোসাইথেমিয়া মাঝারি থেকে গুরুতর সিকেল সেল অ্যানিমিয়া ক্রনিক মাইলয়েড লিউকেমিয়া মাথা ও ঘাড়ের গুরুতর স্কোয়ামাস সেল কার্সিনোমাস
Composition
ফার্মাকোলজি
ইন-ভিভো গবেষণায় হাইড্রক্সিইউরিয়া একটি ফ্রি-রেডিক্যাল নাইট্রোক্সাইডে রূপান্তরিত হয় এবং কোষে ছড়িয়ে পরার মাধ্যমে কোষের রাইবোনিউক্লিওটাইড রিডাক্টেসের এম-২ প্রোটিন সাবইউনিটের টাইরোসিল ফ্রি-রেডিক্যালকেলের সাথে সংযুক্ত হয়ে, এনজাইমকে নিষ্ক্রিয় করে। ফলে, রাইবোনিউক্লিওটাইড রিডাক্টেজ সহ সম্পূর্ণ ডিএনএ নিষ্ক্রিয় হয়, যাতে এস-ফেজে কোষের মৃত্যু ঘটে এবং যে কোষগুলি বেঁচে যায় তাদের আংশিকভাবে সিঙ্গেক্রানাইজ হয়। হাইড্রক্সিইউরিয়া-বিকিরণ-অ্যালকিলেটিং এজেন্ট পরস্পর সমন্বয়ের মাধ্যমে রাসায়নিক বা বিকিরণ দ্বারা ক্ষতিগ্রস্থ ডিএনএ- কে নিষ্ক্রিয় করে। হাইড্রক্সিইউরিয়া ভ্রূণের হিমোগোবিনের মাত্রা বাড়িয়ে দেয়, যার ফলে সিকেল সেল অ্যানিমিয়াতে ভাসোক্লুসিভ-ক্যারাইসিস হ্রাস পায়। হাইড্রক্সিইউরিয়া দ্রবণীয় গুয়ানিলাইল সাইক্লেজ সক্রিয় করার প্রতিক্রিয়ায় ভূণের হিমোগোবিনের মাত্রা বৃদ্ধি পায়।
মাত্রা ও সেবনবিধি
পলিসাইথেমিয়া ভেরা : দিনে একবার ১৫-২০ মিলিগ্রাম/কেজি (সেব্য) প্রম্বোসাইথেমিয়া : দিনে একবার ১৫ মিলিগ্রাম/কেজি (সেব্য) সাধারণ টিউমার : প্রাম্ভিক মাত্রা: প্রতি তিন দিন পরপর ৮০ মিলিগ্রাম/কেজি (সেব্য) প্রচলিত মাত্রা: দিনে একবার ২০-৩০ মিলিগ্রাম/কেজি (সেব্য) মাথা ও ঘাড়ের টিউমার : রেডিয়েসন থেরাপির সাথে ব্যবহার: রেডিয়েসন থেরাপি শুরু করার সাত দিন আগে, প্রতি তিন দিনে ৮০ মিলিগ্রাম/কেজি (সেব্য)। ক্রনিক মাইলয়েড লিউকেমিয়া : দিনে একবার ২০-৪০ মিলিগ্রাম/কেজি (সেব্য) সিকেল সেল অ্যানিমিয়া : প্রাম্ভিক মাত্রাঃ ১৫ মিলিগ্রাম/কেজি দিনে একবার (সেব্য)। প্রতি দুই সপ্তাহে রক্তের কোষের সংখ্যা পর্যবেক্ষণ করা উচিত। প্রতি ১২ সপ্তাহে ৫ মিলিগ্রাম/কেজি/দিন করে টাইট্রেট করা যেতে পারে। সর্বোচ্চ ডোস ৩৫ মিলিগ্রাম/কেজি/দিন।
প্রতিনির্দেশনা
হাইড্রক্সিইউরিয়ার প্রতি তীব্র সংবেদনশীলতা রয়েছে এমন রোগীদের জন্য ব্যবহার নির্দেশিত নয়।
পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া
জ্বর খুব ক্লান্ত বোধ করা ঠান্ডা লাগা নিঃশ্বাসের দুর্বলতা শরীর ব্যথা রক্তপাত বা অব্যক্ত ক্ষত
গর্ভাবস্থায় ও স্তন্যদানকালে
হাইড্রক্সিইউরিয়া গর্ভবতী মহিলাকে দেওয়া হলে ভূণের ক্ষতি হতে পারে। গর্ভাবস্থায় ব্যবহারের জন্য নির্দেশিত নয়। হাইড্রক্সিইউরিয়া মাতৃদুগ্ধের সাথে নির্গত হয়। এ ধরনের রোগীদের হাইড্রক্সিইউরিয়া গ্রহনের সময় মাতৃদুগ্ধ প্রদান থেকে বিরত থাকতে বলা হয়।
সতর্কতা
মাইলোসপ্রেশন : হাইড্রক্সিইউরিয়া মারাত্মক মায়লোসপ্রেশন ঘটায়। অস্থি মজ্জার কার্যকারিতা লক্ষণীয়ভাবে কমে গেলে হাইড্রক্সিইউরিয়া দিয়ে চিকিৎসা শুরু করা উচিত নয়। অস্থি মজ্জার ক্ষতি হতে পারে যা লিউকোপেনিয়ার সাধারণ লক্ষণ। কিছু রোগীকে, ১৫ মিলিগ্রাম/কেজি/দিন ডোজে চিকিৎসা করা হয়, তাদের কেউ কেউ গুরুতর বা জীবন-বিপন্ন মাইলোসপ্রেশনের সম্মুখীন হয়েছেন। ম্যালিগন্যান্সি : হাইড্রক্সিইউরিয়া একটি কার্সিনোজেনিক উপাদান। দীর্ঘমেয়াদী হাইড্রক্সিইউরিয়া গ্রহণকারী রোগীদের মধ্যে মাইলোপ্রোলাইফেরেটিভডিসঅর্ডারগুলির জন্য, সেকেন্ডারি লিউকেমিয়া রিপোর্ট করা হয়েছে। দীর্ঘমেয়াদী হাইড্রক্সিইউরিয়া গ্রহণকারী রোগীদের মধ্যে ত্বকের ক্যান্সারও রিপোর্ট করা হয়েছে। হাইড্রক্সিইউরিয়া গ্রহণকারী রোগীদের সরাসরি সূর্যের এক্সপোজার থেকে সুরক্ষিত থাকা উচিত। ভ্রূণের ক্ষতিসাধন : হাইড্রক্সিইউরিয়া গর্ভবতী মহিলাকে দেওয়া হলে ভ্রূণের ক্ষতি হতে পারে।
থেরাপিউটিক ক্লাস
Cytotoxic Chemotherapy