নির্দেশনা
গর্ভাবস্থার ১৩ তম এবং ২০ তম সপ্তাহের মধ্যে গর্ভাবস্থার সমাপ্তি। দ্বিতীয় ত্রৈমাসিকের গর্ভপাত সম্পর্কিত নিম্নলিখিত পরিস্থিতিতে নির্দেশিত: অন্য পদ্ধতি দ্বারা চিকিত্সার সময় ভ্রূণ এক্সপালসনে ব্যর্থতা ইন্ট্রাইউটেরাইন মেথডে ওষুধের হ্রাস বা অপর্যাপ্ত অথবা অনুপস্থিত ইউটেরাইন একটিভিটির দরুন মেমব্রেনের প্রিম্যচিউর রাপচার ভ্রুনের এক্সপালসনের জন্য প্রয়োজন অনুযায়ী ইন্ট্রাইউটেরাইন ওষুধ চালনার পুনরাবৃত্তি প্রিভায়াবল ভ্রূণের উপস্থিতিতে মেমব্রেনের অসাবধানতা বা স্বতঃস্ফূর্ত ফেটে যাওয়া এবং এক্সপালসনের জন্য পর্যাপ্ত একটিভিটির অনুপস্থিতি। প্রসবোত্তর রক্তক্ষরণের চিকিৎসায় যার কারণে জরায়ু তার স্বাভাবিক আকারে ফিরে আসতে ব্যর্থ হয় এবং যেসব রোগী প্রচলিত চিকিৎসায় উপকৃত হয়না।
Composition
ফার্মাকোলজি
মাত্রা ও সেবনবিধি
গর্ভপাত : কার্বোপ্রস্টের ১ মিলি প্রাথমিক ডোজ (২৫০ মাইক্রোগ্রাম সমতুল্য) ইন্ট্রামাসকুলারভাবে দিতে হবে। ২৫০ মাইক্রোগ্রাম এর পরবর্তী ডোজ জরায়ুর প্রতিক্রিয়ার উপর নির্ভর করে ১.৫ থেকে ৩.৫ ঘন্টার ব্যবধানে দেওয়া উচিত। ১০০ মাইক্রোগ্রাম (০.৪ মিলি) একটি অপশনাল ডোজ প্রাথমিকভাবে শুরু করা যেতে পারে। যদি ২৫০ মাইক্রোগ্রাম (১ মিলি) এর কয়েকটি ডোজের পরে জরায়ুর সংকোচন অপর্যাপ্ত বলে মনে করা হয় তবে ৫০০ মাইক্রোগ্রাম (২ মিলি) পর্যন্ত ডোজ বাড়ানো যেতে পারে। কার্বোপ্রস্টের মোট ডোজ ১২ মিলিগ্রামের বেশি হওয়া উচিত নয় এবং ক্রমাগত ২ দিনের বেশি ওষুধ ব্যাবহারের পরামর্শ দেওয়া হয় না। রিফ্রাক্টরি প্রসবোত্তর জরায়ু রক্তপাতের জন্য : কার্বোপ্রোস্ট (১ মিলি) এর ২৫০ মাইক্রোগ্রাম প্রাথমিক ডোজ গভীর, ইন্ট্রামাসকুলারলি (আইএম) দিতে হবে। প্রয়োজনে ১ মিলি ডোজ ১৫ থেকে ৯০ মিনিটের মধ্যে পুনরাবৃত্তি করা যেতে পারে। কার্বোপ্রোস্টের মোট ডোজ ২ মিগ্রা (৮ ডোজ) এর বেশি হওয়া উচিত নয়।
প্রতিনির্দেশনা
পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া
সবচেয়ে বেশি প্রতিকূল প্রতিক্রিয়া হল স্মুথ মাসলের উপর এর সংকোচনশীল প্রভাব, বিশেষ করে গ্যাস্ট্রোইনটেস্টাইনাল প্রভাব যেমন বমি, বমিবমি ভাব, ডায়রিয়া এবং পাইরেক্সিয়া। কার্বোপ্রোস্টের দ্বারা গর্ভপাতের পরে এন্ডোমেট্রাইটিস, অপরিবর্তিত প্ল্যাসেন্টাল টুকরো এবং অত্যধিক জরায়ু রক্তপাত সাধারণ প্রতিক্রিয়া হিসাবে দেখা দেয়।
গর্ভাবস্থায় ও স্তন্যদানকালে
সতর্কতা
থেরাপিউটিক ক্লাস
Drugs acting on the Uterus